আমলারা দেশটা চুষে শেষ করে ফেলছে, রাষ্ট্রটাকেও একদিন গিলে খাবে’
দেশের আমলাতন্ত্র, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘অল্টারনেটিভস’-এর সংগঠক মাহফুজ আলম অভিযোগ করেছেন, সরকার আমলাতন্ত্র ও বড় ব্যবসায়ীদের তুষ্ট করার নীতি গ্রহণ করছে। তাঁর মতে, জনগণের বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি, দ্রব্যমূল্য ও নিরাপত্তার সংকট সমাধান না করে গুটিকয়েক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার নীতি বৈষম্য আরও বাড়াবে।

‘আমলারা দেশটা চুষে শেষ করে ফেলছে, রাষ্ট্রটাকেও একদিন গিলে খাবে’
দৈনিক রুদ্র খবর ডেস্ক:
দেশের আমলাতন্ত্র, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘অল্টারনেটিভস’-এর সংগঠক মাহফুজ আলম অভিযোগ করেছেন, সরকার আমলাতন্ত্র ও বড় ব্যবসায়ীদের তুষ্ট করার নীতি গ্রহণ করছে। তাঁর মতে, জনগণের বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি, দ্রব্যমূল্য ও নিরাপত্তার সংকট সমাধান না করে গুটিকয়েক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার নীতি বৈষম্য আরও বাড়াবে।
এরই মধ্যে দেশের দুর্নীতির চিত্রও উদ্বেগজনক। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর ২০২৫ সালের জাতীয় খানা জরিপ অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে ৮১ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবার কোনো না কোনোভাবে দুর্নীতির শিকার হয়েছে এবং ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবার ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছে। জরিপে ২০২৫ সালে সেবা খাতে মোট ঘুষ লেনদেনের পরিমাণ আনুমানিক ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে প্রশাসন সংস্কার নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমলাতন্ত্রে বদলি, বাধ্যতামূলক অবসর, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ও পদায়ন নিয়ে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। এতে প্রশাসনিক সংস্কারের গতি ও কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামোকে জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক না করা গেলে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার কমানো কঠিন। জনগণের অর্থ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুরক্ষায় কার্যকর নজরদারি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং প্রশাসনে যোগ্যতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।