ভাঙ্গায় আওয়ামী লীগ-অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিএনপিতে যোগদানের হিড়িক
৩ অক্টোবর ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত সাদ্দাম মুন্সিসহ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম খান বাবুল ও ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিমের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। এ সময় ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদানের পর নতুন করে আরও কয়েকজন নেতার বিএনপিতে যোগদানের খবর পাওয়া গেছে।
৩ অক্টোবর ভাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত সাদ্দাম মুন্সিসহ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম খান বাবুল ও ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিমের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। এ সময় ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ২ অক্টোবর রাতে ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদে মো. শহিদুল ইসলাম খান বাবুল এমপির কার্যালয়ে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি খাইরুজ্জামানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী মোল্লাসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ৩০ সেপ্টেম্বর ভাঙ্গায় ছাত্রলীগ নেতা লিমন মুন্সীসহ স্থানীয় যুবলীগের শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। ভাঙ্গা বাজারের খন্দকার টাওয়ারে উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিমের হাতে ফুল দিয়ে তারা বিএনপিতে যোগ দেন বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, সম্প্রতি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা হওয়ার পর ভাঙ্গায় দলবদলের ঘটনা আরও দৃশ্যমান হয়েছে।
একটি প্রতিবেদনে ১৯৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে যোগদানকারীরা ব্যক্তিগতভাবে কী কারণে দল পরিবর্তন করেছেন, সে বিষয়ে প্রত্যেকের পৃথক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ধারাবাহিক এসব যোগদানের ঘটনায় ভাঙ্গার স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিএনপির নেতারা নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়েছেন।
মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।