১৩৮টি মামলা দিয়েও দমাতে পারেনি, নেতাকর্মীদের সাহস দিতে দেশেই থাকব: এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল
রাজনৈতিক মামলা, হামলা, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মুখেও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি বলেছেন, বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে ১৩৮টি মামলা দেওয়া হয়েছে।

১৩৮টি মামলা দিয়েও দমাতে পারেনি, নেতাকর্মীদের সাহস দিতে দেশেই থাকব: এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল
নিজস্ব প্রতিবেদক | দৈনিক রুদ্র খবর
রাজনৈতিক মামলা, হামলা, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মুখেও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি বলেছেন, বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে ১৩৮টি মামলা দেওয়া হয়েছে। বারবার রক্ত ঝরেছে, নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন; কিন্তু দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি। ভবিষ্যতেও দেশের মাটিতে থেকেই নেতাকর্মীদের সাহস জোগাতে চান তিনি।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন,
“শেখ হাসিনার সরকারের আমলে আমি ১৩৮টি মামলা খেয়েছি, বারবার রক্ত ঝরিয়েছি। আমি কাউকে ভয় করি না। আমরা তো দেশ থেকে পালিয়ে যাইনি।”
তিনি আরও বলেন, নেতাকর্মীদের সাহস জোগাতে এবং যারা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করছে, তাদের সতর্ক করতেই তিনি দেশের মধ্যেই অবস্থান করবেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা যতই আসুক, নেতাকর্মীদের ছেড়ে কোথাও চলে যাওয়ার ইচ্ছা তাঁর নেই।
এদিকে সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল ও তাঁর রাজনৈতিক সহকর্মীদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে আলোচনা চলছে। তাঁর বক্তব্যে নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখা এবং রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের অভিজ্ঞতা
শহিদুল ইসলাম বাবুল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনে মামলা ও প্রতিকূলতার অভিজ্ঞতার কথা তিনি বিভিন্ন সময়ে সভা-সমাবেশেও তুলে ধরেছেন।
২০২৫ সালের জুলাইয়ে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ভাষানচর ইউনিয়নের একটি রাজনৈতিক সমাবেশেও তিনি ১৩৮টি মামলা ও বারবার রক্ত ঝরানোর কথা উল্লেখ করেছিলেন।
ফরিদপুর-৪ আসনের মানুষের প্রত্যাশা
ফরিদপুর-৪ আসনের ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলার মানুষের কাছে শহিদুল ইসলাম বাবুলের রাজনৈতিক বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। সংসদ সদস্য হিসেবে এলাকার উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার অগ্রগতি, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষকদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও তাঁর কাছে প্রত্যাশা রয়েছে স্থানীয় জনগণের।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও প্রতিকূলতার ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল।
শহিদুল ইসলাম বাবুলের বক্তব্যে মূল বার্তা—মামলা, হামলা কিংবা ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁকে রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরানো যাবে না; তিনি দেশের মাটিতেই থেকে নেতাকর্মীদের পাশে থাকতে চান।
দৈনিক রুদ্র খবর সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।